৯৮ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে গতকাল তৃতীয় দিন শেষ করেছিলেন মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস। আজ চতুর্থ দিনের শুরুতেই শতরান পেরিয়েছে তাঁদের জুটি। ৯৪ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৩১৯ রান। কাল ২১৮ রানে সাকিব আল হাসান আউট হলে মুশফিকের সঙ্গে জুটি বাঁধেন লিটন ।
কাল নাসিম শাহকে বড্ড ভুগিয়েছেন লিটন দাস। পাকিস্তানি পেসারের এক ওভারে ১৮ রান নিয়ে ফিফটি পূরণ করেছিলেন লিটন। সেই নাসিমই আজ লিটনকে ফেরালেন। এই আউটে ভাঙল মুশফিক–লিটনের ১১৪ রানের জুটি। আজ চতুর্থ দিনের প্রথম ৮ ওভার করেছেন শাহিন আফ্রিদি ও মোহাম্মদ আলী। এ দুজনকে দারুণভাবে সামলেছেন মুশফিক–লিটন। তবে দিনের নবম ওভারে প্রথমবার বল হাতে তুলে নিয়েই পাকিস্তানকে ব্রেক থ্রু এনে দিলেন নাসিম। অফ স্টাম্পের বাইরে করা তাঁর শট লেংথের পঞ্চম বলটা কিছুটা লাফিয়ে উঠেছিল। সেই বলে লিটন কাট করতে গেলে ব্যাটের কিনারা লেগে বল জমা পড়ে উইকেটকিপার মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে।
যেভাবে পিচ আঁকড়ে ধরে ছিলেন, তাতেই মনে হচ্ছিল সেঞ্চুরি না করে ছাড়বেন না মুশফিকুর রহিম। সেঞ্চুরিটা তিনি পেয়ে গেলেন মধ্যাহ্ন বিরতির আগেই। আগা সালমানের বলটিকে ফাইন লেগে খেলে ২ রান নিতেই মুষ্টিবদ্ধ হাতে ব্যাট উঁচিয়ে ধরলেন মুশফিক, করলেন গর্জনও। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তাঁর ১১তম সেঞ্চুরি আর পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম। সব মিলিয়ে পাকিস্তানের মাটিতে তৃতীয় বাংলাদেশি হিসেবে তিন অঙ্ক স্পর্শ করলেন মুশফিক। অন্য দুজন হাবিবুল বাশার ও জাভেদ ওমর। এই সেঞ্চুরিতে মুশফিক ছাড়িয়ে গেলেন তামিম ইকবালকে (১০টি টেস্ট সেঞ্চুরি)।
মুশফিকের সেঞ্চুরির পরপরই মধ্যাহ্ন বিরতিতে গেছে দুই দল। চতুর্থ দিনের প্রথম সেশন শেষে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১১৭ ওভারে ৬ উইকেটে ৩৮৯ রান। পাকিস্তানের প্রথম ইনিংস থেকে ৫৯ রানে পিছিয়ে বাংলাদেশ।
চতুর্থ দিনে আজ প্রথম সেশনে ২৫ ওভারে লিটনের উইকেট হারিয়ে ৭৩ রান তুলেছে বাংলাদেশ।

